উত্তর দিনাজপুরের পর দক্ষিণ দিনাজপুরেরও দেখা গেল পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংঘর্ষ। নমিনেশন জমা করতে আসা বিজেপি ও সিপিএম প্রার্থীদের উপর হামলা করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যার কারণে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল গঙ্গারামপুর মহকুমা।
শুক্রবার দুপুরের মনোনয়ন পত্র জমাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও সিপিআইএম কর্মীদের ব্যাপক মারধোর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনায় তিন রাজনৈতিক দলে মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। অবস্থা বেগতিক দেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে প্রাণে বাঁচল পুলিশ। যাদিও কিছু সময়ের মধ্যেই বিশাল পুলিশ ও র্যাফ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে বলে খবর।
জানা যায়, তৃণমূল দুষ্কৃতীদের মারে গুরুত্বর আহত হয়েছেন সিপিআইএম কর্মী অধীর চন্দ্র রায় ও বিজেপি কর্মী হাসান আলি। বর্তমানে তারা গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পাশাপাশি এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন বিজেপি ও সিপিএম কর্মী সমর্থক আহত হয়। মনোনয়ন পত্র জমা দিতে বাঁধা দেওয়ার প্রতিবাদে এদিন বিকেলে সিপিএমের পক্ষ থেকে গঙ্গারামপুরে পথ অবরোধ করা হয়। পরে পুলিশ গেলে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি।
এদিনের ঘটনায় সিপিএম-এর জেলা সম্পাদক নারায়ন বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, আমাদের প্রার্থীরা নমিনেশন জমা করতে গেলে তাদের মারধর করছে, পথ অবরোধ করে রেখেছে, বিডিও আফিস ঘেরাও করে রেখেছে, তবে শুধু আমাদের দলই নয় বিজেপির প্রার্থীদেরও মারধর করে বেড় করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ এই সমস্ত ঘটনায় নিরব দর্শক। তবে আমাদের অধীর রায়কেও ব্যাপক মারধর করা হয়। পুলিশ প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। যার কারণে দলের তরফে পথ অবরোধ করা হয়। কিন্তু সেখান থেকে বেশ কিছু নেতাকে লকআপে নিয়ে গেছে। কিন্তু যারা আক্রমণ করছে তাদের পুলিশ ধরছে না, যারা প্রতিবাদ করছে তাদের থানায় লকআপে ভরে দিচ্ছে। রাজ্যে গণতন্ত্রের কোন রকম অবশেষ নেই।
অপরদিকে জেলা তৃণমূল সভাপতি বিপ্লব মিত্র মারধরের অভিযোগ স্মপূর্ন ভাবে অস্বীকার করে পাল্টা দাবী করেন, কংগ্রেস ও বিজেপি একজোট হয়ে উল্টে তৃণমূলের প্রার্থীদের মারধোর করেছে। যার কারণে তাদের বেশ কিছু কর্মী আহত হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/T8CLruQ2ox0